ঐতিহাসিক! ইউরোপের চার দেশের সাথে বড় চুক্তি ভারতের, এভাবে লাভবান হবেন আপনিও

সিএএ, রান্নার গ্যাসের দাম কম অতীত, এবার আরও বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। লোকসভা ভোটের আগে মোদী সরকারের এক সিদ্ধান্তের কারণে আমূল বদলে যেতে চলেছে বহু মানুষের জীবন। কেউ হয়তো ভাবতেও পারেননি যে এমনটা হতে পারে। বলা ভালো, এবার বহু মানুষ যারা নিজেরা বাড়িতে বা কোনও ফ্যাক্টারিতে পণ্য তৈরি করেন তাঁদের জীবন আমূল বদলে যেতে চলেছে।

জানা যাচ্ছে, দীর্ঘ ১৬ বছর পর ভারত এমন একটি চুক্তি করেছে যা নতুন করে সকলের নজর কেড়েছে। গত ১০ মার্চ রব রবিবার ভারত ও ইউরোপের চারটি দেশের সংগঠন ইউরোপিয়ান ফ্রি ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনের (EFTA) মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। আর এই নিয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেছেন যে ইএফটিএ দেশগুলি আগামী ১৫ বছরে ভারতে ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

   

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন যে এই চুক্তির ফলে ১০ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে অনুমান। ইএফটিএ সদস্য দেশগুলির মধ্যে রয়েছে আইসল্যান্ড, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে এবং সুইজারল্যান্ড। এই দেশগুলির সঙ্গে চুক্তি সম্পর্কে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, ইএফটিএ দেশগুলির বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে সবুজ ও বায়ু, ওষুধ, স্বাস্থ্য যন্ত্রপাতি এবং খাদ্য খাত। এসব খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও চাকরির জন্য বড় সুযোগ আসবে। এসব খাতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করবে ইটিএফভুক্ত দেশগুলো। পীযূষ গোয়েল বলেছেন যে এই চুক্তিতে প্রত্যেকের জন্য একটি সুযোগ রয়েছে এবং এই চুক্তিতে থাকা সমস্ত দেশ এতে উপকৃত হবে।

deal
২০০৮ সালে এসব দেশের সঙ্গে প্রথম চুক্তির জন্য আলোচনা শুরু হয়। ১৩ দফা আলোচনার পর ২০১৩ সালে আলোচনা স্থগিত হয়ে যায়। এরপর ২০১৬ সালের অক্টোবরে আবারও ইএফটিএ দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু হয়। ১৬ বছরে মোট ২১ দফা আলোচনার পর এখন চুক্তিটি শেষমেশ হল। ইএফটিএ এবং ভারতের মধ্যে মোট বাণিজ্য বর্তমানে ১৮.৬৬ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে (২০২২-২৩)। এর বৃহত্তম অংশ সুইজারল্যান্ড থেকে এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম অংশ নরওয়ে থেকে। এই চুক্তিতে ১৫ বছরের জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের কথা বলা হয়েছে। চুক্তি স্বাক্ষরের পর ১০ বছরে ভারত ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ চেয়েছে, এবং আগামী পাঁচ বছরে ব্লকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ চেয়েছে। এই চুক্তিতে লক্ষ লক্ষ যুবকের কর্মসংস্থান হবে।

বিগত ৭ বছর ধরে সাংবাদিকতার পেশার সঙ্গে যুক্ত। ডিজিটাল মিডিয়ায় সাবলীল। লেখার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের বই পড়ার নেশা।

সম্পর্কিত খবর