এখনই বিদায় নয়, এভাবে সেমিফাইনালে যেতে পারবে বাংলাদেশ! সাকিবদের করতে হবে এই ছোট্ট কাজ

মরণ বাঁচন ম্যাচেও নিজেদের রক্ষা করতে পারল না বাংলাদেশ (Bangladesh national cricket team)। দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) বিরুদ্ধে ব্যাটে, বলে মার খেয়ে ধরাশায়ী টাইগার বাহিনী। বাংলাদেশকে এবারের ওডিআই বিশ্বকাপের (Cricket World Cup) অন্যতম ফ্লপ দল হিসেবেও বর্ণনা করা হচ্ছে। হারতে হারতে বিশ্বকাপ ২০২৩ ক্রম তালিকার একেবারে শেষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। তবুও সে দেশের কিংবা ক্রিকেট অনুরাগীদের একাংশের মনে প্রশ্ন, বাংলাদেশের সামনে এখনও কি রয়েছে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ?

   

দশ দলের বিশ্বকাপ। রাউন্ড রবিন ফরম্যাটে খেলা। প্রত্যেক দলকে নয়টি করে ম্যাচ খেলতে হবে। সহজ হিসাব, ছয়টি ম্যাচ জিতলেই নিশ্চিত হবে সেমিফাইনালের টিকিট। যে দল ছয় ম্যাচ জিততে পারবে তাদের আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের ক্ষেত্রে বিশ্বকাপ ২০২৩ এর সেমিফাইনালে যাওয়ার পথ অনেকটাই প্রশস্ত। এই দুই দলের যা ফর্ম তাতে আরো ম্যাচ জেতার মতো রসদ রয়েছে তাদের।

ভারত ও নিউজিল্যান্ডকে প্রথম দুই স্থানের জন্য ধরা যেতে পারে অংকের খাতিরে। তৃতীয় কিংবা দ্বিতীয় স্থানে থাকার প্রবল দাবিদার দক্ষিণ আফ্রিকা। যে ম্যাচ জিতছে সেই ম্যাচেই রানের পাহাড়ে উঠছে প্রোটিয়ারা। জেতার পাশাপাশি নিজেদের নেট রান রেট ভালো রাখছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ভারত ও নিউজিল্যান্ডের থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার নেট রান রেট অনেকটাই বেশি, +২.৩৭০। চলতি বিশ্বকাপের সেরা রান রেট। অর্থাৎ প্রথম তিনে ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ডকে আপাতত পাকা বলে ধরে নেওয়া যেতে পারে।

sakib vs india

বাকি রইল চতুর্থ স্থান। এই একটি জায়গার জন্য দাবিদার একাধিক। অস্ট্রেলিয়া, পাকিস্তান এমনকি নেদারল্যান্ডস, আফগানিস্তান পর্যন্ত চলে যেতে পারে সেমিফাইনালে। ইংল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কাও রয়েছে অংকে। এই দল দুটি বুধবার সকাল পর্যন্ত একটি ম্যাচ কম খেলেছে। বাংলাদেশ বেশি খেলেছে বেশি হেরেছে। ফলে তাদের বিদায় এক প্রকার নিশ্চিত বলা চলে। তবে অংকের বিচারে বিদায় এখনও হয়নি। যদি বাকি চার ম্যাচের মধ্যে চারটি ম্যাচেই বাংলাদেশ জিততে পারে তাহলে হয়তো একটা সম্ভাবনা জোরালো হবে। সেই সঙ্গে পরপর হারতে হবে সামনের দিকে থাকা দলগুলোকে। যাদের নেট রান রেট বাংলাদেশের থেকে বেশি তাদেরকে বড় ব্যবধানে হারতে হবে। অর্থাৎ একের পর এক ম্যাচে যদি অঘটন ঘটে ও বাংলাদেশ পরপর জিততে থাকে তাহলে হয়তো একটা ক্ষীণ আশা এখনও রয়েছে টাইগার বাহিনীর জন্য।