দিঘা, দার্জিলিং অতীত! ২০০০ টাকার কমে চলে যান কাছের এই ঐতিহাসিক জায়গায়, হারিয়ে যাবেন প্রকৃতিতে

রাজ্যের আকাশ, বাতাস যেন জানান দিচ্ছে শীত আসছে। আর এই শীতের সময়ে মিঠে রোদ গায়ে মেখে অনেকেই অনেক ধরনের প্ল্যান করে ফেলছেন নিশ্চয়ই। শীত আসছে। আর এই শীতের সময়ে ভ্রমণপ্রিয় বাঙালির পায়ে যেন সর্ষে বেশি করে জেগে ওঠে। শীত এলো কি এলো না, ব্যাগ পত্তর গুছিয়ে কোনও না কোনও ডেস্টিনেশনে বেরিয়ে পড়েন।

   

আপনিও কি কোথাও ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান করছেন? কিন্তু কোথায় যাবেন বুঝতে পারছেন না? আবার বেশি টাকাও খরচ করতে চান না? তাহলে আজ এই প্রতিবেদনটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য। এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আপনি এমন এক জায়গার খোঁজ পাবেন যেখানে গেলে আপনার মন ও শরীর দুটোই একদম চাঙ্গা হয়ে যাবে বৈকি। একদম কলকাতা থেকে সামান্য মাত্র দূরেই রয়েছে দারুণ পাহাড়, অথচ সেখানে যেতে গেলে আপনার কাঁড়ি কাঁড়ি টাকাও খরচ করতে হবে না।

আপনিও এই শীতকালে দুদিনের জন্য ঘুরে আসতে পারে শুশুনিয়া পাহাড় (Susunia Hill)। বছরের পর বছর ধরে ভ্রমণপ্রিয় বাঙালির কাছে এই জায়গার মাহাত্ম্যই আলাদা। বাঁকুড়ার (Bankura) কথা চিন্তা করলেই সকলের মাথায় লাল মাটি, দুর্গম ভূখণ্ড, বাঁকুড়ার ঘোড়া, এমনকি প্রাচীন মল্লভুমের রাজ্যের একটি অস্পষ্ট কোলাজ চলে আসে। পাহাড়, জঙ্গলে ঘেরা রয়েছে বাঁকুড়ার কিছু জায়গা। বাঁকুড়ার কথা বললেই অনেকের মাথায় আসে মুকুটমণিপুরের কথা। কিন্তু আবার কিছু ভ্রমণপ্রেমী এমনও রয়েছেন যারা বারবার শুশুনিয়া পাহাড়ের টানে বারবার সেখানে ফিরে যান। পাহাড়ের পাদদেশে রয়েছে রহস্যময় ঝর্ণা। এই জলকে পবিত্র বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

susunia

শুধু তাই নয়, পাহাড়ের গায়ে অন্য প্রান্তে রয়েছে এক প্রাচীন শিলালিপি। রাজা চন্দ্রবর্মনের শিলালিপি সংরক্ষিত রয়েছে পাহাড়ের দুর্গম স্থানে।