পশ্চিমবঙ্গে এবার হুহু করে কমবে ইলেকট্রিক খরচ! বিদ্যুৎ বিল নিয়ে বড় ইঙ্গিত খোদ মুখ্যমন্ত্রীর

বাড়তি বিদ্যুতের বিল (Electric Bill) নিয়ে চরম হয়রানির শিকার হতে হয় সাধারণ মানুষকে। তবে এবার সেই হয়রানির হাত থেকে দ্রুত মিটতে চলেছে। দ্রুত পশ্চিমবঙ্গে (West Bengal) বিদ্যুতের বিল সকলের নাগালের মধ্যেই থাকবে বলে ইঙ্গিত দিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গতকাল  বিশ্ব বাংলা মিলন মেলা প্রাঙ্গণে হাজির হয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে দাঁড়িয়ে রাজ্যের বিদ্যুৎ প্রসঙ্গে বড়সড় মন্তব্য করেন। এদিকে তাঁর মন্তব্যকে ঘিরে শুরু হয়েছে প্রবল জল্পনাও।

মুখ্যমন্ত্রী ঠিক কী বলেছেন? গতকাল রাজ্য সরকারের কাজের খতিয়ান তুলে ধরেন মমতা। এদিন বীরভূম নিয়েও তাঁকে বড় মন্তব্য করতে শোনা যায়। এক প্রকার কয়লার আলাদাই খনি মিলেছে বলে দাবি করেন মমতা। আর এই কয়লা আগামী দিনে সকলের জীবন একপ্রকার আমূল বদলে দিতে পারে বলে অনুমান করছেন অনেকে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের সাধারণ মানুষের উন্নতির জন্য বীরভূমে দেউচা- পাচামি হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সেখানে কয়লা পাওয়া গিয়েছে। আর বীরভূমে যা কয়লা উৎপাদন হবে, তাতে এখানে আগামী ১০০ বছরে পাওয়ারের অভাব হবে না।” আর এত পরিমাণে কয়লা উৎপাদনের ফলে পাওয়ারের দামও কমে যাবে বলে আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি বিদ্যুতের বিল আসবে এবার জলের দরে?

বুধবার শুধু বিদ্যুতই নয়, ব্যাপক কর্মসংস্থানেরও আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী। ফলে রাজ্যের বেকার যুবতীরা অনেকটাই স্বস্তি পেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীর আশ্বাসে বলে দাবি করছে বিশিষ্ট মহল। মমতা বলেন, ‘দেউচা পাচামিতে কয়েক লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এর মধ্যে সরাসরি ১ লাখ মানুষের চাকরি হবে ও কয়েক লাখ মানুষের চাকরি হবে আনুষাঙ্গিক শিল্পগুলোতে। এই কর্মসংস্থানের কারণে সবথেকে বেশি লাভবান হবেন মুর্শিদাবাদ, বর্ধমান, বীরভূম, মালদার লোকেরা।‘