স্মার্টফোনে বিরাট বদল, বড় নিয়ম আনতে চলেছে কেন্দ্র সরকার! মোবাইল উইজারদের খসবে টাকা

মানুষ মোবাইল ফোন (Mobile Phone) ইন্টারনেট ছাড়া অচল। সারাদিন কর্মব্যস্ততার মধ্যে কেটে যায় মানুষের। সেখানে অনেকের কাছে একটি স্বস্তির জায়গা হল ফোন ও তার মধ্যে থাকা ইন্টারনেট পরিষেবা। এদিকে যত সময় এগোচ্ছে ততই টেকনোলজি আরও দ্রুতভাবে উন্নত হচ্ছে। বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল যার কাছে স্মার্টফোন (Smartphone) নেই।

   

এদিকে এই স্মার্টফোন নিয়েই সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী দিনে বড় রকমের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার বলে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছে। বলা ভালো যুগান্তকারী কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। আর এর প্রভাব সরাসরি গ্রাহক তো বটেই, ফোন প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলির ওপরেও যথেষ্ট পড়বে। আপনিও যদি স্মার্টফোন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এই খবরটি রইল শুধুমাত্র আপনার জন্য।

আসলে কেন্দ্রীয় সরকার একটি নীতি চালু করতে চলেছে যাতে দেশের সমস্ত স্মার্টফোনে লাইভ টিভি সম্প্রচারের বিকল্প রাখতে হবে। যদিও এই বিষয়টি এখনও অবধি শুধুমাত্র প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। অন্যদিকে এই খবর চাউর হতেই স্যামসাং এবং কোয়ালকম সংস্থাগুলি এর বিরোধিতা করছে এবং বলছে যে এটি করার জন্য হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। মোবাইল কোম্পানিগুলো বলছে, এর ফলে স্মার্টফোনের দাম বাড়বে এবং ফোনের ব্যাটারি দ্রুত ফুরিয়ে যাবে।

গুজব ছড়ানো হচ্ছে যে, মোবাইল কোম্পানিগুলো সরকারের প্রস্তাব না মানলে পুরোনো সব ফোন নষ্ট হয়ে যাবে, কিন্তু বাস্তবে তা নয়। প্রকৃতপক্ষে, সরকার কেবল প্রস্তাবটি উপস্থাপন করেছে। এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, স্মার্টফোনে লাইভ টিভি সম্প্রচারের অপশন দিতে হার্ডওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে। এর জন্য প্রতিটি ডিভাইসে খরচ পড়বে প্রায় ৩০ ডলার অর্থাৎ ২ হাজার ৪৯৮ টাকা।

woman smartphone money

সরকার চায় কোনও সেলুলার নেটওয়ার্ক ছাড়াই প্রতিটি স্মার্ট টিভিতে সরাসরি লাইভ টিভি সিগন্যাল সরবরাহ করা হোক। সরকার বিশ্বাস করে যে স্মার্টফোনে সরাসরি লাইভ টিভি দেখানোর ফলে টেলিকম নেটওয়ার্কের উপর লোড হ্রাস পাবে, কারণ এটি সরাসরি ভিডিও ব্যবহার করবে। উল্লেখ্য, উত্তর আমেরিকায় এমন একটি প্রস্তাব করা হয়েছে, যা এটিএসসি ৩.০ নামে পরিচিত। এতে উচ্চমানের ছবির জন্য জিও লোকেশন টিভি সিঙ্গেলের সাপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। স্মার্টফোনে সরাসরি টিভি চ্যানেল সম্প্রচারের সুবিধা দক্ষিণ কোরিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো কয়েকটি দেশে বিদ্যমান।