অর্পিতাকে নিয়ে অজানা তথ্য ফাঁস, এবার প্রকাশ্যে মুখ খুললেন তাঁর বাল্যবন্ধু

বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরগরম পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে (Arpita Mukherjee) নিয়ে। একদিকে তাঁরা যেমন দুর্নীতির দায়ে হাজতবাসে আছেন, তেমনই তাদের সম্পর্ক নিয়েও চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। সোশ্যাল মিডিয়ার এদিক-ওদিক চাইলেই এখন পার্থ-অর্পিতাকে নিয়ে নানারকম মিম দেখা যায়। একাধারে অর্পিতার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া কোটি কোটি টাকা অপরদিকে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এবং অর্পিতার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়ে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজ্যের হাওয়া।

এসএসসি দূর্নীতি কাণ্ডে আটক করা হয়েছে পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং তার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী তথা অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে। দূর্নীতির জল কতটা গড়িয়েছে এখনও সেই তল্লাশি চালাচ্ছে ইডি। এরই মধ্যে নিত্যদিন উঠে আসছে নতুন নতুন সব তথ্য।

এমতাবস্থায় পার্থ ঘনিষ্ট অর্পিতার সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে গিয়ে জানা গেলো তার সহপাঠী এবং বেলঘরিয়ার দেওয়ানপাড়ার মানুষজন তো রীতিমতো স্তব্ধ এই খবরে। অর্পিতার সহপাঠী এখনও বিশ্বাসই করে উঠতে পারছেনা যে পাশের বেঞ্চে বসা মেয়েটা এই কাজ করতে পারে। সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের সামনে মুখ খুলেছেন অর্পিতারই এককালীন সহপাঠী রাকেশ।

অর্পিতার প্রসঙ্গে রাকেশকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান, অর্পিতাকে টিভিতে ঐভাবে কান্নায় ভেঙে যেতে দেখে কষ্ট হয়েছে তারও। তিনি কল্পনাতেও আনতে পারছেন না যে তারই চেনা এক মুখ এতোবড়ো দূর্নীতির সাথে জড়িত থাকতে পারে বলে। রাকেশ এও জানান যে, ২০০২ সালে বেলঘরিয়া মহাকালী গার্লস স্কুল থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দেয় অর্পিতা। তারা একই টিচারের কাছে বাংলা পড়তে যেতেন সেখান থেকেই বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।

উচ্চাভিলাসী অর্পিতার ইচ্ছে ছিলো বড়ো নায়িকা হওয়ার। সেই স্বপ্ন নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে যোগাযোগও বাড়াতে শুরু করে। টলিউডে কাজ করলেও পাড়ার পুজোয় আড্ডা দিতে নাকি আসতেন পার্থর বিশেষ ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। পাশাপাশি রাকেশ বলেন, তার একবার করে এটাও মনে করতে ইচ্ছে করছে যে, হয়তো অর্পিতা পরিস্থিতির শিকার। যদিও সত্যি-মিথ্যা সব কিছুই আইন বলবে।

arpita

প্রসঙ্গত, গত ২২ শে জুলাই মোট ২৯ কোটি টাকা, প্রচুর সোনা এবং ফরেক্স উদ্ধার করা হয়েছে পার্থর ঘনিষ্ট বান্ধবী অর্পিতার ডায়মন্ড সিটির ফ্ল্যাট থেকে। এখানেই শেষ নয়, এরপর অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটেও হানা দেয় ইডি। সেখান থেকেও উদ্ধার হয়েছে প্রচুর টাকা এবং সোনাদানা। ইতিমধ্যেই দুটি ফ্ল্যাট থেকেই প্রায় ৫০ কোটি নগদ টাকা পাওয়া গেছে, সঙ্গে বিদেশি মুদ্রা, সোনার গয়না। সবে মিলিয়ে এখনো পর্যন্ত প্রাপ্ত সম্পতির পরিমান ২০০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। তদন্তকারীদের অনুমান, এখনও আরো সম্পতির হদিশ মিলতে পারে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button