পানের দোকানদার, চা খেতে গিয়ে মজার ছলে কাটেন ৩০ টাকার লটারি! তারপরই ঘটে অলৌকিক ঘটনা

লটারি (Lottery) এমন এক জিনিস যা আমাদের রাতারাতি কোটিপতি বানিয়ে দিতে পারে। লটারির কারণে অনেকের অবশ্য ঘরদোর বিক্রি করতে হয়েছে, কিন্তু তাতে কি, কোটিপতি হওয়ার স্বপ্নে বুঁদ হয়ে সবাই লটারীর টিকিট কেটে নেন। তার মধ্যে অবশ্য একজনই কোটিপতি হবেন। আর ভাগ্যের ফেরে এই সপ্তাহে লটারি বিজেতা হয়েছেন মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দা।

পিন্টু সাহা নামের এক জনৈক ব্যাক্তি ৩০ টাকার লটারির টিকিট কেটে ছিলেন। পেশায় তিনি একজন পান দোকানি। যতসামান্য আয়ে কোনক্রমে সংসার চালাতেন তিনি। এইসময় তিনি পাশে পেয়ে যান তার শ্যালক কৃষ্ণ দাসকে। আর অসময়ে সাহায্য করার সুফল পান তার শ্যালকও। লটারি থেকে প্রাপ্ত পুরষ্কার পিন্টু তার শ্যালকের সাথে ভাগাভাগি করে নেন।

আসলে হয়েছে কি, যে সন্ধ্যেবেলা চা খেতে গিয়েছেন পিন্টু সাহা। সেখানেই ঝোঁকের বসে লটারির টিকিট কাটেন তিনি। আর টিকিট কাটার কিছুক্ষণ পরেই আসে ভাগ্য পরীক্ষার ফলাফল। তা দেখে শ্যালক এবং জামাইবাবু দু’জনই অবাক হয়ে যান। নিজেদের ভাগ্যকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না তারা।

লটারির রেজাল্টে দেখা যায় লটারিতে প্রথম পুরষ্কার বিজয়ী পিন্টু সাহা। আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান দুজনে! এই পুরষ্কার সমান সমান ভাগে ভাগ করে নেবেন দুজনে। লটারি জেতার পর পিন্টু খারাপ সময়ের সঙ্গী তার শ্যালককে ভুলে যাননি। লটারি জেতার পরেও তাঁরা একসঙ্গেই থাকছেন তাঁরা, যেভাবে আগে থাকতেন।

maldahxxlottery

তবে লটারি জেতায় খুশির জোয়ার এসেছে তার পরিবারে। তবে লটারি জেতার খবর পেয়েই থানায় পৌঁছান তিনি। সুরক্ষার কারণে তাকে সেখানেই যেতে হয়। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনও অবশ্য তার সুরক্ষার সমস্ত ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে। লটারি জিতে পিন্টু সাহা বলেন, ‘পানের দোকান করতাম। জীবনে অনেক কষ্ট করেছি। আমার শ্যালকসব সময় আমার পাশে থেকেছে। ভবিষ্যতেও আমরা এই ভাবে থাকবো। সকলকে এক সাথে নিয়ে চলবো।’

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button