দিঘায় জেলেদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার, ধরা পড়ল কয়েক লক্ষ টাকার তেলিয়া ভোলা মাছ

বর্ষার মরশুমের শুরুতেই খুশির জোয়ারে ভাসে দিঘা (Digha) মোহনা এলাকা। এবার আরও একবার দেখা মিলল সেই মাছের। সেখানের মৎস্য নিলাম কেন্দ্রে দারুণ উত্তেজনা লেগে গিয়েছে। না, ইলিশ নয় এবার তেলিয়া ভোলা (Telia Bhola) মাছের কারণে আনন্দে ভাসছেন মৎস্যজীবীরা। ভোলা মাছ জালে উঠলেই বেশ খুশি হন ট্রলারের জেলে, মালিক, মাঝি সব্বাই।

বাজারে এই মাছের দাম অত্যন্ত বেশি। আর চাহিদা বেশি থাকায় অনেক চড়াদামে বিক্রি হয় এই মাছ। এবার এক গুচ্ছ ভোলা মাছ ওঠায় খুশির আমেজ জেলেদের মধ্যে। আর সবচেয়ে বড় ব্যাপার হলো যে, প্রতিটি মাছেরই ওজন প্রায় ১৫-২০ কেজি। আর এই মাছ বিক্রি করেই ৩২ লক্ষ টাকা পেয়েছেন ট্রলার মালিক তপন দাস।

   

গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে জল থেকে মাছ তুলতেই লক্ষ্মী লাভ হয় তার। ২২ টি তেলিয়া ভোলা মাছ উঠেছে তার ঝাঁকি থেকে। আর তাদের ওজন ৪২১ কেজি! লক্ষীবার বিরাট লক্ষ্মীলাভ হয় তার। আর এই খবর সামনে আসতেই মানুষ ভিড় করে এই মাছ দেখতে।

শুধু তাই না, স্থানীয়দের পাশাপশি মাছ দেখতে যোগ দেন পর্যটকরাও। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয়েছে দুটি মাছ। ৬১ কেজি ওজনের দুই মাছ বিক্রি হয় ২২,৮০০ টাকায়। এছাড়া বাকি ৬ মাছের মোট ওজন হয় ১৩৭ কেজি। সেগুলিকে ৬,৪০০ টাকা কেজি দরে কিনে নেয় এক সংস্থা। বাকি ১৪ টি মাছ, যাদের ওজন দাঁড়ায় ২২৩ কেজি, সেগুলির জন্য কিলো প্রতি ৪,১০০ টাকা পেয়ে যান তিনি।

এদিন সব মিলিয়ে ২২ টি মাছ বিক্রি হয় ৩১ লক্ষ ৮১ হাজার ৯০০ টাকাতে! আর এই নিয়ে দিঘা ফিশারম্যান অ্যান্ড ফিশ ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক শ্যামসুন্দর দাস এ নিয়ে বলেছেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে তেলিয়া ভোলা মাছের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এর পটকা। যার জালে এই মাছ ওঠে তাঁর লক্ষ্মীলাভ হয়।“

সম্পর্কিত খবর