দারুণ এক আইডিয়া লাগিয়ে, মোবাইল থেকেই মাসে মাসে লাখ টাকা কামাচ্ছে ১৫ বছরের কিশোর, রয়েছে নিজের কোম্পানিও

বর্তমান দিনে রোজগারের পদ্ধতি গেছে বদলে। আগে যেখানে রোজগারের পথ ছিল নামমাত্র, এখন সেই পদ্ধতির আমূল পরিবর্তন করে রোজগারের জন্য এসেছে লাখো পথ। পূর্বে বলা হতো রোজগার করার জন্য প্রয়োজন অভিজ্ঞতার, প্রয়োজন ছিল বয়সের। কম বয়সীরা বিপুল রোজগার করবে এটা ভাবাই নির্বুদ্ধিতা ছিল একসময়। কিন্তু আজ সময় পুরোপুরি বদলেছে। এমনকি মাত্র ১০-১২ বছরের বাচ্চাগুলো দারুন রোজগার করছে! এরকমই ১৫ বছর বয়সী দিশান্ত ভার্মা শুরু করেন নিজের কোম্পানি। এবং সেখান থেকে প্রতি মাসে তার রোজগার ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা (Indian Rupee) !

দিশান্ত ভার্মা জানান যে, খুব কম বয়স থেকেই নিজের টাকা রোজগারের ইচ্ছে ছিল তার। এজন্য ছোটখাটো কাজও করেছে সে। অনলাইনে মানুষের জন্য ভিজিটিং কার্ড বানিয়েছে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা রোজগার করতে থাকেন। কিন্তু এখানেই থেমে না থেকে আরো বেশি রোজগারের কথা ভাবলেন তিনি! দিশান্ত জানান যে, এরই মধ্যে তিনি একটি কোম্পানির কথা জানতে পারেন যেখানে তার রোজগারের পরিমাণ বাড়তে পারে অনেকখানি।

এরপর তিনি যে কোম্পানিতে কাজ করছিলেন সেই কোম্পানির নাম গুগলে সার্চ করেন। দিশান্ত সেসম্পর্কে বলেন, “আমি গুগলে দেখেছি যে Oyehoy কোম্পানির লোকজন কয়েক মাস ধরে লাখ লাখ টাকা আয় করছে” সে সময় ১৪ বছর বয়সী এক ছেলের আয় ছিল ৩০ লাখ টাকার বেশি! দিশান্ত বলেছেন যে আমিও Oyehoye কোম্পানিতে কাজ করে ৩ মাসেই ৭ লাখ উপার্জন করেছি। যদিও অন্যরা হয়তো বেশি রোজগার করছিলেন। কিন্তু আমি প্রথমবার এত টাকা আয় করেছি।

এছাড়া দিশান্ত আরো বলেন, এরপর এই টাকা ব্যবহার করে নিজের মার্কেটিং কোম্পানি খুলেছি। যেখানে আমরা বড় বড় কোম্পানীর সাথে কোলাবরেশন করি এবং এরপর শহরের বিভিন্ন জায়গায় বসে সেই সব বিজ্ঞাপন। এতে আমরা কোম্পানিগুলিকে এই ধরনের জায়গা সরবরাহ করি যেখানে তারা তাদের হোর্ডিং লাগাতে পারে। এই কোম্পানি থেকে এক বছরে প্রায় এক কোটি টাকা আয় করেছেন ১৪ বছর বয়সের ক্ষুদে দিশান্ত। তার কোম্পানিতে বর্তমানে ১৪ জন কর্মী কাজ করছেন। সে জানায় আগামী বছর তার কোম্পানির লক্ষ্য ১০ কোটি টাকায় পৌঁছানো। যদিও এর সাথে ওপেন ইউনিভার্সিটি থেকে তার পড়াশোনাও চলছে।

➦ আপনার জন্য বিশেষ খবর

Back to top button